আজ ২০ মার্চ, সোমবার, ভারত এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে বৈঠকে বসছেন আগরতলা-বাংলাদেশ রেল সংযোগ স্থাপনের কাজ কিভাবে খুব দ্রুত শেষ করা যায় সেই বিষয়ে কর্মপন্থা ঠিক করতে। সুত্রমতে, ভারত সরকার চাইছে যে কোনোভাবেই হোক আর বড়জোর মাস তিনেকের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হোক। এই রেল সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কলকাতা থেকে সরাসরি বাংলাদেশের উপর দিয়ে আগরতলা পর্যন্ত রেল চলাচল করবে। ফলে ভারতের সেভেন সিস্টার এর আগরতলা, শিলচর, ডিব্রুগড়, গুয়াহাটিসহ বিভিন্ন জায়গার সাথে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। সেই সাথে ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের যোগদানের পথও প্রশস্ত করবে এই প্রকল্প। ফলে বাণিজ্য ও পর্যটনের প্রসারে এই রেলওয়ে লিঙ্কটির গুরুত্ব অপরিসীম। এই মুহুর্তে যেখানে ত্রিশ ঘন্টার উপর সময় ব্যয় করে কলকাতা থেকে ট্রেনে আগরতলা যেতে পাড়ি দিতে হয় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার পথ, কলকাতা-ঢাকা-আখাউড়া-আগরতলা রুটে সেই দূরত্ব হবে মাত্র ৫৫০ কিলোমিটার, সময় লাগবে ঘণ্টা দশেক। ভারতের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প বেগবান করতে দিল্লি ও আগরতলা থেকে মোট ১১জন কর্মকর্তার একটি হেভিওয়েট প্রতিনিধিদল সোমবারের বৈঠকে যোগ দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আসছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ রেলের প্রধান কার্যালয় ‘রেল ভবনে’ পিএসসি-র এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
ছবি এবং খবর সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

