গত ১৭ জানুয়ারি রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এর সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে "সম্পূর্ণ সরকারি খরচে কিশোরগঞ্জের হাওরে সাড়ে ১৫ কিলোমিটার উড়াল সড়ক নির্মাণের" এবং এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫ হাজার ৬৫১ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচ হতে পারে বলে ধরা হয়েছে। এই প্রকল্পে কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদর থেকে করিমগঞ্জ উপজেলার মরিচখালি পর্যন্ত উড়াল সড়ক নির্মাণ করা হবে যার বাস্তবায়ন সময়কাল ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ নির্ধারন করা হয়েছে। এ উড়াল সড়ক নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদর হতে মিঠামইন সেনানিবাসকে সংযুক্ত করে করিমগঞ্জ উপজেলা উড়াল সড়ক নির্মাণ সহ নাকভাঙ্গা মোড় থেকে মরিচখালি বাজার পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৪০ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের মাধ্যমে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলাসহ এর আশেপাশের হাওড় এলাকার সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর এবং ঢাকা, সিলেট ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে সরাসরি ও নিরবচ্ছিন্ন সব আবহওয়ায় চলাচেলের জন্য উপযোগী সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে চালু হওয়া ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের মধ্যে নির্মিত সারা বছর (অল ওয়েদার) চলাচলের উপযোগী সড়ক নির্মান সম্পূর্ণ করা হলেও সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, "এই সড়কের পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না; কারণ, ৮৭৪ কোটি টাকায় নির্মিত ওই সড়ক হাওরের তিন উপজেলার সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের সংযোগ তৈরি করতে পারেনি। সড়কটির অপূর্ণতা দূর করতে এবার হাওরে উড়ালসড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।"
সম্পূর্ণ সরকারি খরচে কিশোরগঞ্জের হাওরে সাড়ে ১৫ কিলোমিটার উড়াল সড়ক নির্মিত হতে যাচ্ছে যার মাধ্যমে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলাসহ এর আশেপাশের হাওড় এলাকার সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর এবং ঢাকা, সিলেট ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে সরাসরি ও নিরবচ্ছিন্ন সব আবহওয়ায় চলাচেলের জন্য উপযোগী যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

