সারাবিশ্ব 17 ফেব্রুয়ারি শুক্রবার প্রথমবারের মতো গ্লোবাল ট্যুরিজম রেজিলিয়েন্স ডে উদযাপন করেছে। জাতিসংঘ (ইউএন) সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত, বিশেষ দিবসটির লক্ষ্য হল জরুরী পরিস্থিতিতে পর্যটন খাতের দুর্বলতা বিবেচনায় নিয়ে ধাক্কা মোকাবেলা করার জন্য স্থিতিস্থাপক পর্যটন বিকাশের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া। জাতিসংঘের মতে, স্বল্পোন্নত দেশ, ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র, আফ্রিকার দেশ এবং মধ্যম আয়ের দেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো আয়, বৈদেশিক মুদ্রা আয়, কর রাজস্ব এবং কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস হিসেবে পর্যটনকে বিবেচনা করা হয়।
গ্লোবাল ট্যুরিজম রেজিলিয়েন্স ডে'র উদ্দেশ্য ছিলো সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে ক্ষতিগ্রস্থ পর্যটন খাতের পুনর্বাসনের জন্য জাতীয় কৌশল তৈরি করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান, যার মধ্যে রয়েছে বেসরকারী-সরকারি সহযোগিতা এবং কার্যক্রম ও পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ। "টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির জন্য একটি হাতিয়ার হিসাবে টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক পর্যটনের ব্যবহার, অনানুষ্ঠানিক খাতের আনুষ্ঠানিকীকরণ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রচার এবং দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণকে সক্ষম করে, জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার এবং টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তাদের প্রচার সহ নানান বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রথমবারের মত এই দিবসটি উদাযাপিত হয় জ্যামাইকাতে। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের পর্যটন মন্ত্রী এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক শিল্প নেতারা অংশ নেন।
সারাবিশ্ব 17 ফেব্রুয়ারি শুক্রবার প্রথমবারের মতো গ্লোবাল ট্যুরিজম রেজিলিয়েন্স ডে উদযাপন করেছে। জাতিসংঘ (ইউএন) সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত, বিশেষ দিবসটির লক্ষ্য স্থিতিস্থাপক পর্যটন বিকাশের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া।

