ঢাকা, ০২ জুন, ২০২৬: সদ্য সমাপ্ত ঈদুল আজহার টানা সাত দিনের লম্বা ছুটিতে দেশজুড়ে পর্যটন খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটির সুযোগে দেশের প্রধান প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নামে।
পর্যটন কেন্দ্রগুলোর চিত্র
- রাঙামাটি ও পাহাড়ি অঞ্চল: মেঘ-পাহাড়ের মিতালি দেখতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। হোটেল ও রিসোর্টগুলোর শতভাগ কক্ষ আগেই বুকড হয়ে যায়।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: ছুটির পুরোটা সময় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল ট্যুরিস্ট পুলিশ।
- সিলেটের চা বাগান ও প্রকৃতি: জাফলং, রাতারগুল ও শ্রীমঙ্গলের চা বাগানগুলোতে বুকিংয়ের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে হাজারো মানুষ ছুটে যান এই অঞ্চলে।
যাতায়াত ও মহাসড়কের পরিস্থিতি
- যানজটমুক্ত মহাসড়ক: বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবারের ঈদ যাত্রা ও কর্মস্থলে ফেরার পথ ছিল বেশ চমৎকার। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের তীব্র চাপ থাকলেও বড় ধরনের কোনো যানজট বা ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
- রেল ও নৌপথ: ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ট্রেন ও নৌযান চলাচলের কারণে ঘরমুখো এবং ভ্রমণপিপাসু মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পেরেছেন। শেষ মুহূর্তে ঢাকার প্রবেশদ্বার ও টার্মিনালগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
